ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলা বিএনপির আয়োজিত বিজয় মিছিলে অতর্কিত হামলায় অন্তত ১৫ জন আহতের অভিযোগ পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার সকালে পৌর শহরের জিরো পয়েন্টে এ ঘটনা ঘটে।
দাগনভূঞা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আকবর হোসেন অভিযোগ করে জানান, বিএনপির কেন্দ্রঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে মঙ্গলবার সকালে গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে বিজয় র্যালির আয়োজন করা হয়। শান্তিপূর্ণ র্যালিটি চৌমুহনী রোড থেকে জিরো পয়েন্টে পৌঁছলে পূর্ব থেকে ওঁৎপেতে থাকা বিএনপি থেকে বহিস্কৃত একজনের নেতৃত্বে কিছু আওয়ামী সন্ত্রাসী মিছিলে অতর্কিত হামলা করে। তারা নেতাকর্মীদের মোবাইল ছিনিয়ে নেয় এবং মারধর করে। হামলাকারীদের মধ্যে ছিলেন পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক কাজী সাইফুর রহমান স্বপন, আবুল হাশেম বাহাদুর এবং ছাত্রদল থেকে বহিস্কৃত একজন।
তিনি বলেন, “বিশৃঙ্খলা এড়াতে আমরা হামলার কোনো প্রতিবাদ করিনি। কিন্তু র্যালিটি পৌর শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণের সময় এই সন্ত্রাসীরা পেছন থেকে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। এতে উপজেলা মহিলা দলের সভাপতি জাহান আরা বেগম, ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাইমুন হক রাজীব, সদস্য সচিব তৌহিদুল ইসলাম মানিক, ইঞ্জিনিয়ার সোহেল ও সরোয়ারসহ ১৫ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।”
তিনি আরো বলেন, “এই হামলা একটি ষড়যন্ত্রের অংশ। বিএনপিকে জনগণের কাছে বিতর্কিত করতে আওয়ামী অ্যাজেন্ডা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এই হামলা চালানো হচ্ছে। আমরা এই ষড়যন্ত্র সফল হতে দেব না এবং কোনো বিশৃঙ্খল ঘটনার সৃষ্টি করব না। আমরা ধৈর্য ধরে চলব।”
এ বিষয়ে কাজী সাইফুর রহমান স্বপন বলেন, “আমরা জিরো পয়েন্টে রক্তদান কর্মসূচি পালন করছিলাম। এ সময় তাদের কিছু নেতাকর্মী আমাদের কটাক্ষ করে মন্তব্য করলে বাগবিতণ্ডা হয়। আমরা তা নিবৃত করি। হামলার অভিযোগ সত্য নয়, বরং তাদের হামলায় আমাদের বেলাল, সিফাত, মিলনসহ পাঁচ-ছয়জন আহত হয়েছেন।”
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা এ এস এম সোহরাব আল সোহাইন তানভীর বলেন, সংঘর্ষে ১২ জন চিকিৎসা নিতে এসেছিলেন। তাদের মধ্যে ১১ জন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে চলে গেছেন, একজনকে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
দাগনভূঞা থানার ওসি মোহাম্মদ ওয়াহিদ পারভেজ বলেন, বিএনপির র্যালিকে কেন্দ্র করে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে পুলিশ তাৎক্ষণিক তা নিবৃত করে। ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে।
Note For Readers:
The CEO handles all legal and staff issues. Claiming human help before the first hearing isn't part of our rules.
Our system uses humans and AI, including freelance journalists, editors, and reporters.
The CEO can confirm if your issue involves a person or AI.