সর্বশেষ

Wednesday, February 4, 2026

জুলাই-২৪ শহীদ পরিবার অ্যাসোসিয়েশনের আত্মপ্রকাশ

জুলাই-২৪ শহীদ পরিবার অ্যাসোসিয়েশনের আত্মপ্রকাশ



জুলাই-২৪ শহীদ পরিবার অ্যাসোসিয়েশন নামে একটি সংগঠনের আত্মপ্রকাশ করেছে। সংগঠনটির ২১ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে শহীদ ফারহান ফাইয়াজের বাবা আলহাজ্ব শহিদুল ইসলাম ভূঁইয়াকে সভাপতি এবং শহীদ ইয়ামিনের পিতা মহি উদ্দীনকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

বিবার (১ জানুয়ারি) কারওয়ান বাজারের ট্রেড সেন্টারে আয়োজিত সংগঠনটির আত্মপ্রকাশ ও পরিচিতি, আসন্ন জাতীয় সংসদ সংসদ এবং গণভোট নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে অতিথির বক্তব্যে আমার দেশ’র নির্বাহী সৈয়দ আবদাল আহমদ বলেছেন, জুলাই বিপ্লবের শহীদদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে দেশ থেকে ফ্যাসিস্ট পালিয়েছে; আমরা দ্বিতীয় স্বাধীনতা পেয়েছি; দেশ আবার গণতন্ত্রের উত্তরণের পথে এগিয়ে যাচ্ছে। ফলে এই শহীদদের স্মৃতি কখনো নষ্ট হয়ে যাক সেটা চাইবো না; আমরা চাইবো শহীদদের স্মৃতি ইতিহাস হয়ে যুগ যুগ ধরে গণতন্ত্রকামী মানুষের প্রেরণা উৎস হিসেবে কাজ করবে।
ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি’র চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ বলেন, জুলাই বিপ্লবের শহীদ ও শহীদ পরিবারের স্বপ্ন ব্যর্থ হলে রাষ্ট্র ব্যর্থ হয়ে যাবে। তাই জুলাই বিপ্লবের শহীদদের স্বপ্নকে এগিয়ে নিতে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।
সংগঠনের সভাপতি শফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ২১ সদস্যের কমিটি ঘোষণা করেন শহীদ মুগ্ধের বাবা সংগঠনের সিনিয়র সহসভাপতি মীর মোস্তাফিজুর রহমান।
কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- সহসভাপতি গোলাম রাজ্জাক, সাংগঠনিক সম্পাদক কবির হোসেন, সহ- সাংগঠনিক সম্পাদক গাউছ উল্লাহ, অর্থ সম্পাদক গাজীউর রহমান, সহ-অর্থ সম্পাদক মোহাম্মদ আব্দুল মতিন, প্রচার সম্পাদক মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান, সহ- প্রচার সম্পাদক মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন, দপ্তর সম্পাদক কাজী লুলুল মাধমিন, সহ দপ্তর সম্পাদক সামমুজ্জামান, তথ্য সম্পাদক রুফাইদা ইসলাম চাঁদিনী, সহ- তথ্য সম্পাদক আমান উল্লাহ শহীদ, আইন সম্পাদক শফিকুল ইসলাম, সহ-আইন সম্পাদক জাকির হোসেন পাটোয়ারী, স্বাস্থ্য সম্পাদক সাইফ আহমেদ খান, নির্বাহী সদস্য আইনুন নাহার, মরিয়ম খানম, আবুল হোসেন, ও আবুল খায়ের।
জাতীয় নির্বাচনের আগেই শহীদ পরিবারের সদস্যদের নিয়ে চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে সমাবেশের ঘোষণা দেন সভাপতি। অনুষ্ঠানে শহীদ পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। সংগঠনটির অস্থায়ী কার্যালয় রাজধানীর কাওরান বাজারের ৯৯, কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউয়ে গড়ে তোলা হয়েছে।

গণতান্ত্রিক উত্তরণে আওয়ামী লীগ বড় বাধা: ড. মাহবুব উল্লাহ

গণতান্ত্রিক উত্তরণে আওয়ামী লীগ বড় বাধা: ড. মাহবুব উল্লাহ



বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ বলেছেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের মতো এত বড় আত্মত্যাগের সুফল আমরা আজও পাইনি। আমাদের মুক্তিযুদ্ধ ছিল প্রতিবেশী রাষ্ট্রের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী গণতন্ত্র ছিল তাদেরই নির্দেশিত। যে কারণে পরবর্তীতে একদলীয় কলঙ্কিত শাসনব্যবস্থা কায়েম হয়েছিল। গণতান্ত্রিক উত্তরণ ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের পথে এ মুহূর্তে আওয়ামী লীগ বড় বাধা। তাদের প্রতিহিংসার কারণে নির্বাচনী পরিবেশ ও দেশের শান্তি বিনষ্টের ঝুঁকি রয়েছে। ক্ষমতার মোহে শেখ হাসিনা রাজনৈতিক দুবৃর্ত্তে পরিণত হয়েছিল।’

আজ শনিবার এফডিসিতে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির অয়োজনে নির্বাচনী বিতর্ক প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফাইনাল ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ।

অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ বলেন, ‘নির্বাচন নিয়ে যে সব সহিংস ঘটনা ঘটছে তার পেছনেও পতিত স্বৈরাচার ও পার্শ্ববর্তী রাষ্ট্রের মদদ আছে। বাংলাদেশে এমন কোনো পরিস্থিতি হয়নি, যে কারণে কোনো দেশের দূতাবাস তাদের কর্মীদের নিজ দেশে ফেরত নিতে হবে। ভারত আমাদের দেশের এই পরিবর্তন ও নির্বাচন মেনে নিতে পারছে না বলেই এ ধরনের সিদ্ধান্ত নিচ্ছে।’

তিনি বলেনস, ‘আসন্ন নির্বাচনের মধ্য দিয়ে সুষ্ঠু গণতন্ত্রচর্চা ও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের যাত্রা শুরু হবে। তবে গণতন্ত্র সুপ্রতিষ্ঠিত করতে আরও বহুদূর যেতে হবে। কেবল নির্বাচন সুষ্ঠু হলেই প্রতিহিংসার রাজনীতি বন্ধ হবে না। এর জন্য রাজনীতির গুণগত পরিবর্তন প্রয়োজন। এখন পর্যন্ত নির্বাচনী পরিবেশকে সম্পূর্ণ সন্তোষজনক বলা যাচ্ছে না, তবে সহিংস ঘটনার যাতে পুণরাবৃত্তি না হয় সেটি নিশ্চিত করতে হবে।’

 সভাপতির বক্তব্যে হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ বলেন, ‘অতীতের যে কোনো নির্বাচনের চেয়ে আসন্ন নির্বাচন নিয়ে মানুষের প্রত্যাশা অনেক বেশি। এবারের নির্বাচন ফ্যাসিবাদী অপশক্তির বিরুদ্ধে নির্বাচন। জুলাই অভ্যুত্থানে শহিদের রক্তের প্রতিশোধের নির্বাচন। ভোটের অধিকার ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের নির্বাচন। সমাজ বদলের নির্বাচন। অন্যায়—অত্যাচার, গুম—খুন, হত্যা, মামলা—হামলা, জেল—জুলুমের বিরুদ্ধে নির্বাচন। রাজনীতিতে মতো পার্থক্য থাকবে, প্রতিযোগিতা থাকবে, তা যাতে প্রতিহিংসায় রূপ না নেয়। আসন্ন নির্বাচনী প্রচার—প্রচারণায় অতিমাত্রায় বিদ্বেষ, কুৎসা, আক্রোশ রাজনৈতিক অঙ্গনকে অস্থিতিশীল করে তুলছে। এই সুযোগে গণহত্যাকারী পালিয়ে যাওয়া গোষ্ঠী নির্বাচনকে বিতর্কিত ও ভন্ডুলের চেষ্টা করতে পারে।’

তিনি বলেন, ‘নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতা আমাদের রাজনীতির একটি কালো অধ্যায়। ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন পরবর্তী সময়ে যাতে সহিংস ঘটনা না ঘটে সে লক্ষ্যে এখন থেকে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সজাগ থাকতে হবে। প্রতিহিংসার আগুন খুবই ভয়াবহ। যা মানুষকে অত্যাচারী করে তোলে। আমরা আশাকরি আসন্ন নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে প্রতিহিংসার রাজনীতির অবসান ঘটবে। যারাই জনগণের ভোটে ক্ষমতায় আসবে তারা বিরোধী মতকে সাথে নিয়ে হাসিনার ফ্যাসিস্ট শাসন ব্যবস্থার ক্ষতগুলো দূর করবে। সুশাসন ও জবাবদিহি কায়েম করবে।’

প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয় স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ এবং রানার্সআপ হয় ইডেন মহিলা কলেজ। তৃতীয় স্থান অর্জন করে তেজগাঁও কলেজ। শ্রেষ্ঠ বক্তা হওয়ার গৌরব অর্জন করেন ইডেন মহিলা কলেজের দলনেতা মাসনুন নাবিলাহ আলম। চ্যাম্পিয়ন দলকে ২ লাখ টাকা, রানার্সআপ দলকে দেড় লাখ টাকা ও তৃতীয় স্থান অর্জনকারী দলকে এক লাখ টাকাসহ ট্রফি, ক্রেস্ট ও সনদপত্র প্রদান করা হয়। এ ছাড়া শ্রেষ্ঠ বক্তাকে ৫০ হাজার টাকা ক্রেস্ট, ট্রফি ও সনদপত্র দেওয়া হয়।

প্রতিযোগিতায় বিচারক ছিলেন অধ্যাপক আবু মোহাম্মদ রইস, ড. এস এম মোর্শেদ, সাংবাদিক কাজী হাফিজ, সাংবাদিক মাইদুর রহমান রুবেল ও সাংবাদিক আফরিন জাহান। ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির আয়োজনে চূড়ান্ত প্রতিযোগিতার বিষয় ছিল “আসন্ন গণভোট ও সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু হলে প্রতিহিংসার রাজনীতির অবসান হবে।


Monday, January 26, 2026

দিল্লিতে বসে হাসিনার সংবাদ সম্মেলনে কাজ হবেনা: বিচারপতি এম এ মতিন

দিল্লিতে বসে হাসিনার সংবাদ সম্মেলনে কাজ হবেনা: বিচারপতি এম এ মতিন



সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দিল্লিতে বসে দেশের বিরুদ্ধে কথা বলছে, ষড়যন্ত্র করছে, সংবাদ সম্মেলন করছে, এতে কোনো কাজ হবে না বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি মো. আবদুল মতিন। 
রবিবার (২৫ জানুয়ারি) বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশনে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি আয়োজিত ‘আসন্ন গণভোট ও সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু করতে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকাই প্রধান’ শীর্ষক ছায়া সংসদে এ কথা বলেন তিনি। 


এম এ মতিন বলেন, তিনি (শেখ হাসিনা) এত শক্তিশালী হলে কেন পালিয়ে গেলেন। জনগণ তাকে চায়নি বলেই পালাতে হয়েছে। তার আমলে প্রহসন হয়েছে, নির্বাচন হয়নি বলেই বিপ্লব হয়েছে।

আবদুল মতিন বলেন, অসংখ্য মানুষের রক্তপাত ও প্রাণহানি ঘটিয়েও আওয়ামী লীগের মধ্যে কোনো অনুশোচনা নেই। এখনো রক্তের দাগ শুকায়নি। আওয়ামী লীগ কেন নির্বাচনে অংশ নিতে পারছে না, সেটা তাদের বুঝতে হবে। তবে নাগরিক হিসেবে আওয়ামী লীগের সমর্থকরা ভোট দিতে পারবে। আওয়ামী লীগ তাদের অপকর্মের জন্য জনগণের কাছে ক্ষমা চাইলে, অনুতপ্ত হলে ক্ষমা পেতে পারে।

সাবেক এই বিচারপতি বলেন, প্রতিবেশী দেশ বলেছিল এদেশে কোনো সরকার বসতে পারবে না, কাজ করতে পারবে না। তারা শপথ নিয়েছিল এদেশের মানুষকে শান্তিতে রাখবে না। তাদের এ আশা দুরাশায় পরিণত হয়েছে। তাদের কোনো চাপেই কাজ হয়নি। গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ব্যর্থ হলে জনগণের দীর্ঘ দিনের আকাঙ্ক্ষা ভেস্তে যাবে। নির্বাচন ভন্ডুল হওয়ার কোনো শঙ্কা নেই। জনগণ সচেতন হলে নির্বাচন বানচালে কোনো বাধা ও ষড়যন্ত্রে কাজ হবে না


অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ। 


সভাপতির বক্তব্যে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ বলেন, দেশের মানুষ নির্বাচন চায়। একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের অপেক্ষায় আছে সাধারণ মানুষ। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে নির্বাচনের কোন বিকল্প নেই। নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে না পারা দলটি নির্বাচন ভন্ডুল ও বিতর্কিত করার চেষ্টা করছে । ১৪শ মানুষকে হত্যার অভিযোগে মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী পার্শ¦বর্তী দেশে অবস্থান করে দেশের বিরুদ্ধে নানারকম অপপ্রচার করছে। সম্প্রতি এক অডিও ভাষণে তাকে পরিকল্পিতভাবে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত করা হয়েছে বলে মিথ্যা বয়ান দেন। যা মেটেই গ্রহণযোগ্য নয়। সেজন্য নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে যাওয়া বিএনপি, জামায়াত, এনসিপিসহ অন্যান্য দল ও প্রার্থীদের এমন কোন কার্যক্রম করা উচিত হবে না যাতে পতিত শক্তি নির্বাচন ভন্ডুল করার অপচেষ্টা করতে পারে। বিগত তিনটি নির্বাচন ছিলো চরম বিতর্কিত ও গণতন্ত্র হরণের নির্বাচন। ভোটাধিকার লুন্ঠনের নির্বাচন। জনগণের ক্ষমতা কেড়ে নেওয়ার নির্বাচন। এবারের নির্বাচন সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য হলে জাতি কলঙ্কিত নির্বাচনের কালিমা থেকে মুক্তি পাবে। জনগণের শাসন ফিরে আসবে। বৈষম্যহীন ও সম্প্রতির রাষ্ট্র তৈরি হবে। সামাজিক ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা হবে। সুশাসন ও জবাবদিহিতা ফিরে আসবে। ভোটের দিন ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে এআই এর অপব্যবহারের মাধ্যমে গুজব ও ভুয়া ভিডিও অপতৎপরতা দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। যা ভোটারদের বিভ্রান্ত করতে পারে।


“আসন্ন গণভোট ও সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু করতে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকাই প্রধান” শীর্ষক ছায়া সংসদে তেজগাঁও কলেজের বিতার্কিকদের পরাজিত করে স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ’র বিতার্কিকগণ বিজয়ী হয়। প্রতিযোগিতায় বিচারক ছিলেন অধ্যাপক আবু মোহাম্মদ রইস, সিনিয়ার সাংবাদিক মাঈনুল আলম, সাংবাদিক মশিউর রহমান খান, সাংবাদিক আফরিন জাহান ও সাংবাদিক জাকির হোসেন লিটন। প্রতিযোগিতা শেষে অংশগ্রহণকারী দলকে ট্রফি, ক্রেস্ট ও সনদপত্র প্রদান করা হয়।


Saturday, January 10, 2026

নির্বাচন ভন্ডুলের অপচেষ্টা প্রতিহত করতে হবে: মুনিরা খান

নির্বাচন ভন্ডুলের অপচেষ্টা প্রতিহত করতে হবে: মুনিরা খান



যারা নির্বাচন ভন্ডুলের অপচেষ্টা চালাতে চায়, তাদের প্রতিহত করতে হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন পর্যবেক্ষক সংস্থা ফেমার প্রেসিডেন্ট মনিরা খান। 

শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) রাজধানীর এফডিসিতে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি আয়োজিত ‘গ্রহণযোগ্য নির্বাচনই গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে ভূমিকা রাখবে’ শীর্ষক ছায়া সংসদে তিনি এসব কথা বলেন।

মুনিরা খান বলেন, নির্বাচন অবশ্যই হতে হবে, নির্বাচন ঠেকিয়ে রাখা যাবে না তবে একটি ভালো ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন ব্যাহত করতে একটি মহল তৎপরতা চালাচ্ছে। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, আসন্ন নির্বাচন ভন্ডুলের চেষ্টা হতে পারে এবং যারা এ ধরনের অপচেষ্টা চালাতে চায়, তাদের প্রতিহত করতে হবে।

তিনি বলেন, নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জগুলোর একটি। অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে সর্বোচ্চ পদক্ষেপ নিতে হবে। পাশাপাশি ‘থ্রি এম’—মানি, মাসল ও ম্যানিপুলেশন—এই তিন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সরকার, নির্বাচন কমিশন ও রাজনৈতিক দলগুলোর দায়িত্বশীল ভূমিকার পাশাপাশি জনসচেতনতা অপরিহার্য। অন্তর্বর্তী সরকারের পাশাপাশি রাজনৈতিক দলগুলোকেও একটি ভালো নির্বাচনের জন্য জোরালো ভূমিকা রাখতে হবে।


তিনি আরও বলেন, সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার নূরুল হুদা ও হাবিবুল আওয়াল সুষ্ঠু নির্বাচনে ব্যর্থতার দায়ে পদত্যাগ করতে পারতেন। তারা শপথ ভঙ্গ করে প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচন উপহার দিয়েছেন। 

ভোটারদের উদ্দেশে তিনি বলেন, কেবল প্রতীক দেখে নয়, ইশতেহার ও প্রার্থীর যোগ্যতা বিবেচনা করে ভোট দিতে হবে। তা না হলে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের বদলে ফ্যাসিবাদ আবারও ফিরে আসতে পারে।


স্বতন্ত্র প্রার্থীদের বিষয়ে মনিরা খান বলেন, স্বতন্ত্র প্রার্থীর ক্ষেত্রে মোট ভোটারের ১ শতাংশের স্বাক্ষর নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়ার যে বিধান রয়েছে, তা সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। এ বিধান পরিবর্তন করা প্রয়োজন। 

তিনি আরও বলেন, জুলাই সনদে ৫ শতাংশ নারী প্রার্থী মনোনয়নে সব রাজনৈতিক দল সম্মত হলেও বাস্তবে কেউই তা অনুসরণ করেনি। জামায়াতে ইসলামী একজনও নারী প্রার্থী মনোনয়ন না দেওয়ায় তিনি অসন্তোষ প্রকাশ করেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ।  

ছায়া সংসদের সভাপতির বক্তব্যে হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন হবে আওয়ামী দুঃশাসনের বিরুদ্ধে জনগণের রায়। দীর্ঘদিন ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে না পারার পুঞ্জীভূত ক্ষোভ প্রকাশের সুযোগ পাবে ভোটাররা। প্রকৃত ভোটের মাধ্যমে জাতি কলঙ্কিত নির্বাচনের কালিমা থেকে মুক্ত হবে এবং জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত হবে। তিনি বলেন, প্রতিহিংসার রাজনীতির পরিবর্তে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, বৈষম্যহীন ও সম্প্রীতির রাষ্ট্র গড়ে উঠবে—যেখানে সামাজিক ন্যায়বিচার, আইনের শাসন ও মানবাধিকার নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। 


তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, কেবল নির্বাচন দিয়েই স্বৈরাচারী শাসনব্যবস্থার অবসান সম্ভব নয়। সুশাসন ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত না হলে শুধু গ্রহণযোগ্য নির্বাচনই গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে যথেষ্ট হবে না।


হাসান কিরণ আরও বলেন, নির্বাচন কেবল ক্ষমতার পালাবদল নয়। সাধারণ মানুষ নির্বাচিত প্রতিনিধিদের কাছ থেকে স্বস্তি, নিরাপত্তা ও শান্তি চায়। তারা আয়-ব্যয়ের ভারসাম্য, শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও স্বাস্থ্যসেবার নিশ্চয়তা প্রত্যাশা করে। মানুষের ন্যূনতম মৌলিক অধিকার বাস্তবায়িত হলেই জনগণ সন্তুষ্ট থাকবে।


ছায়া সংসদ প্রতিযোগিতায় অতীশ দীপঙ্কর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিতার্কিকদের পরাজিত করে ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির বিতার্কিকরা বিজয়ী হন। প্রতিযোগিতার বিচারক ছিলেন অধ্যাপক আবু মুহাম্মদ রইস, সাংবাদিক মাঈনুল আলম, মশিউর রহমান খান, জাকির হোসেন লিটন ও কাওসারা চৌধুরী কুমু। অনুষ্ঠান শেষে অংশগ্রহণকারী দলগুলোর হাতে ট্রফি, ক্রেস্ট ও সনদপত্র তুলে দেওয়া হয়।


Saturday, December 20, 2025

ভয়ের সংস্কৃতি তৈরি করতে হাদিকে হত্যা

ভয়ের সংস্কৃতি তৈরি করতে হাদিকে হত্যা



নির্বাচন বানচালের লক্ষ্যে ভয়ের সংস্কৃতি তৈরি করতে হাদিকে হত্যা করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও নির্বাচন সংস্কার কমিশনের সাবেক সদস্য ডা. জাহেদ উর রহমান। 
শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) এফডিসিতে ‘তরুণ ভোটাররাই হবে আগামী নির্বাচনে জয়—পরাজয়ের নিয়ামক’ শীর্ষক ছায়া সংসদে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। 
 জাহেদ উর বলেন, এটি একটি টার্গেটেড কিলিং। এমন কোনো মানুষ পাওয়া যাবে না হাদির হত্যাকাণ্ডে দুঃখ পায়নি। হাদির মৃত্যুর পর যে এনআরকি তৈরি হয়েছে- তা দুঃখজনক।’‘
প্রথম আলো-ডেইলি স্টার নিয়ে সমালোচনা থাকলেও থাকতে পারে। কিন্তু হাদিকে যারা ভালোবাসেন তারা তার মৃত্যুতে এই গণমাধ্যম দুটিতে ভাঙচুর করে আগুন দিতে পরেন না। এই ঘটনায় সরকার ভালো ব্যবস্থা নিতে পারেনি। এর পেছনে দেশি-বিদেশি অপশক্তি জড়িত রয়েছে। আমাদের মধ্যে যখন কোনো অনৈক্য তৈরি হয়, এক পক্ষ আরেক পক্ষকে হুমকি দেয়, তখন ভেস্টেড ইন্টারেস্ট গ্রুপ সুযোগ নেয়। বাংলাদেশে এখন নানা ভেস্টেড গ্রুপ সক্রিয় রয়েছে, যারা দেশের স্থিতিশীলতা চায় না।’
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ। 


সভাপতির বক্তব্যে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ বলেন, সর্বোচ্চ চেষ্টা করেও ওসমান হাদিকে বাঁচানো যায়নি। তার হত্যাকান্ডে আমরা ব্যাথিত, মর্মাহত, লজ্জিত ও শঙ্কিত। হাদির হত্যাকারিরা ইতিহাসে কাপুরুষ হিসেবে ঘৃণিত হয়ে থাকবে। এই হত্যাকান্ড জাতির জন্য এক মর্মান্তিক কালো অধ্যায় হিসেবে রচিত হবে। হাদির রক্ত বৃথা যেতে দেয়া যাবে না। হাদির রক্ত বৃথা গেলে জুলাই অভ্যুত্থানের চেতনা ব্যর্থ হবে। পরাজিত ফ্যাসিস্টরা পালিয়ে গেলেও তাদের দোসররা এখনো হুমকি—ধামকি ও ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে প্রতিনিয়ত নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করছে। তারই অংশ হিসেবে হাদিকে হত্যা করা হয়। হাদি হত্যাকান্ডের পর জাতীয় নেতৃবৃন্দসহ প্রার্থীদের নিরাপত্তা প্রদানের দাবি উঠেছে। তাই বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশে ফেরার পর সরকার এসএসএফ এর মাধ্যমে তার সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন বলে আশা করি।

ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি’র আয়োজনে “তরুণ ভোটাররাই হবে আগামী নির্বাচনে জয়—পরাজয়ের নিয়ামক” শীর্ষক ছায়া সংসদে বিচারক ছিলেন সাংবাদিক কাজী হাফিজ, মো: আলমগীর হোসেন, জাকির হোসেন লিটন, কাজী জেবেল ও মো: আতিকুর রহমান। 
প্রতিযোগিতায় ড. মাহবুবুর রহমান মোল্লা কলেজকে পরাজিত করে ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট গার্লস পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের বিতার্কিকরা বিজয়ী হয়। প্রতিযোগিতা শেষে অংশগ্রহণকারী দলকে ট্রফি, ক্রেস্ট ও সনদপত্র প্রদান করা হয়।

Saturday, December 6, 2025

ত্রুটিপূর্ণ ভবন নির্মাণে দায় আছে: রাজউক চেয়ারম্যান

ত্রুটিপূর্ণ ভবন নির্মাণে দায় আছে: রাজউক চেয়ারম্যান

 


রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. রিয়াজুল ইসলাম বলেছেন, “ঢাকা শহরে যত ত্রুটিপূর্ণ ভবন গড়ে উঠেছে, তার দায় রাজউক এড়াতে পারে না। ফলে রাজউকের চেয়ারম্যান হিসেবে তার অবস্থান অনেকটা আসামির মতো বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি। 

শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন (এফডিসি) মিলনায়তনে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি আয়োজিত ‘ভবন মালিকদের দায়িত্বশীলতাই ভূমিকম্পের ক্ষয়ক্ষতি কমাতে পারে’ শীর্ষক ছায়া সংসদে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।  

রাজউক চেয়ারম্যান বলেন, নকশা অনুমোদন ও তদারকি দুটোই রাজউক করে থাকে। এক্ষেত্রে তদারকির দায়িত্ব অন্য সংস্থাকে দিলে আরও যুক্তিযুক্ত ও কার্যকর হবে। তিনি বলেন, ভূমিকম্প রোধে কেবল রাজউক নয়, সরকারের অনেক সংস্থার দায়িত্ব রয়েছে। ২১ নভেম্বরের ভূমিকম্পে কসাইটুলির ত্রুটিপূর্ণ ভবন মালিককে এখনো পাওয়া যায়নি। তবে ওই এলাকার ভবন মালিকেরা তাদের সমস্যা সমাধানে রাজউককে সহযোগিতা করছে।


মো. রিয়াজুল ইসলাম বলেন, অবৈধ ভবন নির্মাণকারীদের বিদ্যুতের মিটার জব্দ করা হচ্ছে। এতে সুফল পাওয়া না গেলে মামলা ও ভবন ভেঙে দেওয়া হচ্ছে। যেসব প্রকৌশলী ও স্থপতিরা উপযুক্ততা নিশ্চিত না করে ভবনের নকশায় স্বাক্ষর করছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

রাজউক চেয়ারম্যান বলেন, যারা তথ্য গোপন ও জালিয়াতির মাধ্যমে একাধিক প্লট নিয়েছে তাদের আইনের আওতায় আনা হয়েছে। কেরাণীগঞ্জ, বসিলা, ডেমরাসহ বিভিন্ন এলাকায় জলাশয় ভরাট করে যেসব হাউজিং কোম্পানি অনুমোদন ছাড়া ভবন নির্মাণ করছে তাদের ব্যাপারে রাজউকের অবস্থান কঠোর।



অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ। সভাপতির বক্তব্যে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান বলেন, ভূমিকম্পের ঝুঁকিপ্রবণ এই দেশে অচিরেই বড় বিপর্যয়ের আশংকা রয়েছে। ভূমিকম্প নিয়ে আমাদের আতঙ্ক আছে কিন্তু সচেতনতা নেই। বর্তমান বিল্ডিং কোড সময় উপযোগী নয়। এটি আধুনিকায়ন করতে হবে। ভূমিকম্পের ক্ষয়ক্ষতি মোকাবেলায় শর্টটাইম এবং লংটাইম রোডম্যাপ করা জরুরি। বিগত সরকারের আমলে ভূমিকম্প ঝুঁকি মোকাবেলায় সচেতনতা তৈরীতে প্রচুর অর্থ খরচ করা হলেও প্রস্তুতিতে তেমন কোন কাজ হয়নি। ভূমিকম্পের ঝুঁকি রোধে সম্পৃক্ত সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে গলদ আছে। আমলাতান্ত্রিক জটিলতাই এক্ষেত্রে বড় বাধা। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরে প্রায় সবাই আমলা। সেখানে কোন ইঞ্জিনিয়ার বা জিওলোজিস্ট নাই। 


রাজউকের আওতাধীন থাকা স্বত্বেও ভবন নিমার্ণে ঢাকার আশেপাশের গজে উঠা হাউজিং কোম্পানীগুলো বিল্ডিং কোড, নকশার তোয়াক্কা করছে না বলেন কিরণ। তিনি বলেন, কোন রকম নিয়মনীতি না মেনে যে যার মতো করে ১৫ তলা ২০ তলা ভবন নির্মান করছে। সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকা স্বত্বেও রাজউক তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিচ্ছেনা। অবৈধ ভবণ নিমার্ণের সাথে রাজউকের কিছু অসাধু কর্মচারী জড়িত। রাজউকের অনিয়ম বন্ধে কঠিন পদক্ষেপ নিতে হবে। টাকা ছাড়া রাজউকে কোন কাজ হতো না। তবে বিগত সময়ের দুর্নীতি রাতারাতি সংশোধন করা কঠিন। হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ আরো বলেন, ভবন মালিকের ক্যাপাসিটির সীমাবদ্ধতা রয়েছে, ভূমিকম্প ঝঁুকি মোকাবেলায়  সরকারকেই প্রথম এগিয়ে আসতে হবে। সরকার যে রাস্তাঘাট, মেট্রোরেল, ফ্লাইওভার, এলিভেটর এক্সপ্রেস নির্মাণসহ গ্যাস, বিদ্যুৎ সংযোগ লাইন তৈরি করছে সেগুলিও ভূমিকম্প সহনশীল হতে হবে।


ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি’র আয়োজনে “ভবন মালিকদের দায়িত্বশীলতাই ভূমিকম্পের ক্ষয়ক্ষতি কমাতে পারে” শীর্ষক ছায়া সংসদে সেন্ট যোসেফ হায়ার সেকেন্ডারি স্কুল এর বিতার্কিকদের পরাজিত করে শহিদ বীর—উত্তম লে. আনোয়ার গার্লস স্কুল এন্ড কলেজ এর  বিতার্কিকগণ বিজয়ী হয়। 


প্রতিযোগিতায় বিচারক ছিলেন অধ্যাপক আবু মুহাম্মদ রইস, সাংবাদিক মাঈনুল আলম, সাংবাদিক মাসুদ করিম, সাংবাদিক সাইদুল ইসলাম ও সাংবাদিক ড. শাকিলা জেসমিন। প্রতিযোগিতা শেষে অংশগ্রহণকারী দলকে ট্রফি, ক্রেস্ট ও সনদপত্র প্রদান করা হয়।

Monday, December 1, 2025

মিজান শাজাহানের মায়ের মৃত্যুতে ডিআরইউর শোক

মিজান শাজাহানের মায়ের মৃত্যুতে ডিআরইউর শোক

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) স্থায়ী সদস্য ও এটিএন বাংলার স্টাফ রিপোর্টার মিজান শাজাহানের মা মরিয়ম বেগম গতকাল রোববার (৩০ নভেম্বর) রাতে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬০ বছর।

সোমবার (১ ডিসেম্বর) বাদ জোহর স্থানীয় মসজিদে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

দীর্ঘদিন ধরে উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিসে ভুগছিলেন তিনি। বরিশাল জেলার মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার উলানিয়া গ্রামে নিজ বাড়িতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন মরিয়ম বেগম। তিনি স্বামী মাস্টার আব্দুল খালেক, তিন ছেলে, দুই মেয়ে, নাতি-নাতনি, পুত্রবধূ ও জামাতাসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

মরিয়ম বেগমের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন ডিআরইউ সভাপতি আবু সালেহ আকন ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল। ডিআরইউ নেতৃবৃন্দ মরহুমার রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।