চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে এক তরুণীকে ডেকে এনে ধর্ষণের অভিযোগে দুজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ভুক্তভোগী তরুণী মামলা দায়ের করেছেন, এবং পলাতক আসামিদের গ্রেফতারের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, ঝালকাঠির রাজাপুর থানার পুটিয়াখালী গ্রামের ওই তরুণী গত ৩১ জুলাই চাকরির খোঁজে চট্টগ্রামে তার মামার বাসায় আসেন। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে খোঁজ নেওয়ার সময় তার পরিচয় হয় রায়পুর ইউনিয়নের উত্তর পরুয়াপাড়া গ্রামের মরহুম আবদুল খালেকের ছেলে এনামুল হক ওরফে রিপনের (২৭) সাথে, যিনি নিজেকে ইয়ংওয়ান গার্মেন্টসের কর্মী হিসেবে পরিচয় দেন।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ, ৪ আগস্ট সকালে এনামুল তাকে চাকরির কথা বলে ইপিজেড এলাকায় নিয়ে যান এবং ঘোরাঘুরির একপর্যায়ে আনোয়ারা উপজেলার বোয়ালিয়া ঈদগাঁর পাশে হারুনের খামারের একটি পলিথিন ঘরে নিয়ে গিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। রাতে এনামুল তাকে নিজ বাড়িতে নিয়ে গেলে তার স্ত্রী বিষয়টি বুঝতে পেরে প্রতিবাদ করেন। পরে তরুণীকে রাত কাটানোর জন্য পাশের এক প্রতিবেশীর ঘরে রাখা হয়।
পরদিন ৫ আগস্ট ভোরে এনামুল তাকে নিয়ে আবার বের হলে পথে মো: সাইফুদ্দিন (৩৪) ও আরো তিনজন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি তাদের আটকায় এবং ওই তরুণীকে একই ঘরে নিয়ে দলবদ্ধভাবে ধর্ষণ করে। পরে এনামুল নিজেই ৯৯৯-এ ফোন করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তরুণীকে উদ্ধার করে এবং এনামুলকে আটক করে। পরবর্তী অভিযানে সাইফুদ্দিনকেও গ্রেফতার করা হয়। তবে বাকি তিনজন এখনো পলাতক।
আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: মনির হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মামলার ভিত্তিতে গ্রেফতারকৃতদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। পলাতক আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
Note For Readers:
The CEO handles all legal and staff issues. Claiming human help before the first hearing isn't part of our rules.
Our system uses humans and AI, including freelance journalists, editors, and reporters.
The CEO can confirm if your issue involves a person or AI.